বাঁশের সাকোঁই ভরসা
উপজেলার নিগুয়ারী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত পল্লী অঞ্চলে অবস্থিত দুটি গ্রাম সাধুয়া ও বেলদিয়া। গ্রাম দুটির লোক সংখ্যা প্রায় দশ হাজার। এ দুটি গ্রামের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয় একটি খাল। খালের দু’পারে বসবাসরত দুই গ্রামের হাজার নারী-পুরুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাকোঁ। এ সাকোঁ দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে স্কুল,মাদ্রাসা কোমলমতি শিক্ষার্থী সহ হাজারো পেশার মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘ প্রায় বিশবছরের সময়ের বেশী এই বাশের সাকোঁটি নিগুয়ারী ইউনিয়নের সাধুয়া ও বেলদিয়া গ্রামের মানুষের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা। এলাকাবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবি সত্ত্বেও এ খালের উপর ব্রীজ নির্মাণ না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা নিজ উদ্দ্যোগে বাঁশের সাকোঁ তৈরী করে পারাপার হচ্ছে। সাকোঁটি দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে পানিতে পড়ে অনেক শিশু,কিশোর-কিশোরীর জীবন বিপন্ন হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা সাধুয়া গ্রামের গৃহবধূ রিতা বেগম (৩০)জানান,নির্বাচন এলেই †Pqvig¨vb,†g¤^viiv শুধু আশার বলি শোনায়। অমুক ভাই †Pqvig¨vb,†g¤^vi নির্বাচিত হলে আমাদের এ খালের উপর ব্রীজ হবে। একটি হত্যার ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সরজমিনে উপজেলা সদর খেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সাধুয়া বেলদিয়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বাঁশের সাকোঁটি দিয়ে পারাপার হচ্ছে স্কুল,মাদ্রাসা কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। এ সময় কথা হয়,সাধুয়া গ্রামের মাঈনুদ্দিনের সাথে। তিনি জানান, এ সাকোঁ ছাড়াও ৫ কিলোমিটারের ভিতরে রয়েছে আরও একাধিক সাঁেকা। এসব সাকোঁ দিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার করতে হয়। তালতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী রমা বলেন, ভরা বর্ষা মৌসুমে ঝুকি নিয়ে এই সাকোঁর উপর দিয়ে তাদের স্কুলে যেতে হচ্ছে। তাই সাধুয়া বেলদিয়া গ্রামে খালের উপর ব্রীজ নির্মানের দাবি জানান কোমলমতি শিক্ষার্থী সহ এলাকার হাজারো মানুষ।


0 মন্তব্যসমূহ